মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট

বাগাতিপাড়া উপজেলায় প্রায় ৩৯৭ টি পরিবারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে  রান্না-বান্নার কাজে গ্যাস ব্যবহার করে চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে।

ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের মুল উদ্দেশ্যে :

        যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় ইমপ্যাক্ট প্রকল্প বেকার যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গবাদি পশু-মুরগীর খামার সম্প্রসারণ,খামার বর্জ যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা বিকল্প জ্বালানী হিসাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে।

ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের লক্ষ্য :

        ১। গ্রামের বেকার যুব ও দুঃস্থ মহিলাদেরকে উদ্ভাবনীমূলক ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত কারিগরি সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার নিশ্চিত করা ;

        ২। গ্রামীণ যুব ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যম্যে পারিবারিক ও বাণিজ্যিক হাঁস-মুরগী-গরু-ছাগলের খামার স্থাপন,ফলজ-শাক সবজি চাষের মাধ্যমে দেশের খাদ্য চাহিদা যথা মাংস,ডিম,দুধ,ফল-শাক সবজি ইত্যাদির উৎপাদন বৃদ্ধি করা ;

        ৩। দেশজ ব্যবহারযোগ্য কাঁচা মাল চিহ্নিত করে তা কারিগরি প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থ সম্পদে রুপান্তর করা ;

        ৪। গ্রামীণ পরিসরে বিশেষ করে যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা;

        ৫। সংসারের দৈনন্দিন কাজের উচ্ছিষ্ট,গরুর গবর,মুরগীর বিষ্ঠা,ইত্যাদি বায়োগ্যাস প্লান্টে ব্যবহার করে,বিকল্প জ্বালানী হিসাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা ;

        ৬। বায়োগ্যাস প্লান্ট থেকে উৎপাদিত গ্যাস দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে মুরগীর খামারে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সহ সেচ কার্যে সহায়তা করা;

        ৭। বায়োগ্যাস প্লান্টের ফার্মেন্টেটেড বর্জ্য জমির উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসাবে সরবরাহ করে রাসায়নিক সারের ব্যবহার হ্রাস করার মাধ্যমে জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করা ;

        ৮। গ্রামীণ পর্যায়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে আরো বেশী বাণিজ্যিক ভিত্তিক খামার স্থাপনের ব্যবস্থা করা ;

        ৯। বায়োগ্যাস প্লান্টের কাঁচা মাল হিসেবে হাঁস-মুরগীর বিষ্ঠা,গোবর ও অন্যান্য পচনশীল বর্জ্য ব্যবহারের মাধ্যমে এলাকার স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জ্বালানী কাঠ ব্যবহার হ্রাস করে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা;

        ১০। যুব ক্লাব ও সেনসিটাইজেশন সভার মাধ্যমে এসটিডি,এইচ আই ভি/এইডস,বাল্য বিবাহ,জেন্ডার বৈষম্য ও যৌতুকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ।

 

সামাজিক উন্নয়ন/সোসাল বেনিফিট : ইম্প্যাক্ট প্রকল্পের মাধ্যমে :

 

        ১। পারিবারিক খামারের (গরু ও মুরগীর) মাধ্যমে মাংস,দুধ ও ডিম উৎপাদন হচ্ছে যা প্রকল্প এলাকায় জনগণের চাহিদা পূরণ করছে ;

        ২। বায়োগ্যাস প্লান্ট থেকে উৎপাদিত গ্যাস ও বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় জনগণের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে ;

        ৩। খামার সম্পৃক্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুঃস্থ মহিলাদের ক্ষমতায়ন হচ্ছে;

        ৪। বায়োগ্যাস প্লান্টের বর্জ্য জমির উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসাবে ব্যবহারের মাধ্যমে জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বর্জ্য মৎস্য খাদ্য হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহ্নত হচ্ছে ;

        ৫। বায়োগ্যাস প্লান্টের ব্যবহার এলাকার স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নের সাথে সাথে জ্বালানী কাঠ ব্যবহার হ্রাস করে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে;

        ৬। যুব ক্লাব গঠন,সেনসিটাইজেশন সভা এবং অন্যান্য প্রচারণামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সামাজিক সমস্যা নিরসনে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।ফলে প্রকল্প এলাকায় সুশীল সমাজ গড়ে উঠছে ।